Bangla blog,Bangla Kobita & Golpo.Funny Pictures & Jokes.
১।
শিক্ষক : একটা লম্বা শব্দ বলো তো,
ছাত্র : স্যার, রাবার।
শিক্ষক : এটি তো ছোট শব্দ।
ছাত্র : স্যার, টানলে লম্বা হবে।
২।
বাবাঃ আচ্ছা মা,তুমি হঠাত মধুর বাবা ডাকটা ছেড়ে আমাকে ডাড বলে ডাকার কারণ কি?
মেয়েঃ বাবা ডাকলে ঠোটে ঠোট লেগে লিপস্টিক কারাপ হয়ে যায় তো তাই।
৩।
গাছপালা কাটায় পরিবেশ বিপন্ন। পাখিরা বসার কোন যায়গা পায় না।একেবারে নিরুপায় হয়ে তারা ধর্না দিল সরকারের কাছে। সরকার জানাল, ’আমরা দেশের উন্নয়নের কাজে ব্যস্ত। গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠার কাজে ব্যস্ত। এখন এসব বিষয়ে দৃষ্টি দেয়ার সময় নেই।’
নিরুপায় হয়ে তাদেরকে ছুটতে হল বিরোধী দলের কাছে। তারা বলল, ‘দেশ বিপন্ন। স্বাধিনতা বিপন্ন। সার্বভৌমত্ব বিপন্ন। আমরা মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ব্যস্ত। অন্যদিকে দেখ।’
তাদেরকে অন্যদিকেই যেতে হল। এবারে তারা বিমুখ হল না। তাদের পক্ষ নিল এনজিও। চারিদিকে হৈচৈ পরে গেল। ব্যানার ফেষ্টুন দেশিবিদেশি মানুষের আনাগোনা। গোলটেবিল-লম্বাটেবিল বৈঠক, পাচতারা হোটেলে সন্মেলন। একসময় হৈচৈ থামল।
পাখিদের নেতা এসে বলল, ‘আমাদের সমস্যার সমাধান কি হল ?
উত্তর এল, ‘এবার আর কিছু করতে পেলাম না। যাকিছু ফান্ড যোগাড় করেছিলাম তা প্রস্তুতি, প্রচারে আর সন্মেলনেই খরচ হয়ে গেল। দাতারা আবার হাত বাড়ালেই কাজে হাত দেব।’
৪।
গুলিস্তানের পকেটমারদের যথেষ্ট সুনাম রয়েছে। একজন ভাবল পরীক্ষা করে দেখি। পকেটে একটা দুটাকার কয়েন নিয়ে কয়েকবার চক্কর দিল চারিদিকে। কিছুক্ষন পরপরই পকেটে হাত দিয়ে দেখে কয়েনটা আছে কিনা। কোন পকেটমার সেটা নিতে পারেনি দেখে একসময় সে দাড়িয়ে হতাস হয়ে বলল, কোথায় পকেটমার ? এতক্ষনেও কেউ আমার পকেট মারতে পারল না।
পাশ থেকে একজন বলল, পকেটে দুইটাকা নিয়া ঘুরলে কি পকেটমার পাওয়া যায় ? তিনবার হাতে নিয়া দেখছি।
৫।
- ডাক্তার সাব, সবকিছু ভুলে যাচ্ছি। কি করা যায় বলুত তো।
- কতদিন ধরে এটা ঘটছে ?
- এ্যা ? কি ঘটছে ?
৬।
- তুমি আয়ের টাকা হিসেব করে চলতো।
- চেষ্টা তো করি। ধর বাসা ভাড়ায় চলে যায় ৬০ ভাগ, খাওয়া খরচে ৬০ ভাগ, যাতায়াত খরচে ৪০ ভাগ, ছেলেমেয়ের লেখাপড়ায় ৪০ ভাগ।
- সেকি। সেতো বেতনের দ্বিগুন হয়ে যায়।
- হা ভাই। আপাতত ঘাটতি বাজেট চলছে।
৭।
- আমি যদি মারা যাই তুমি আমার কবরের কাছে যাবে ?
- যেতে তো হবেই। ওদিক দিয়েই তো শর্টকাট রাস্তা।
৮।
- ডাক্তারসাব, আপনি বলেছিলেন সুস্থ হলে আমি সব যায়গায় হেটে বেড়াতে পারব।
- হ্যা, পারবেন তো। কেন পারছেন না ?
- না পেরে উপায় কি ? আপনার বিল দিতে গাড়িটা বেচে দিতে হল যে।
৯।
- স্যার ফোনে বোধহয় আপনাকে কেউ ডাকছে ?
- আমার নাম বলেছে ?
- না।
- তাহলে কিভাবে বুঝলে আমাকে ডাকছে ?
- ওপাশ থেকে এক মহিলা বললেন বুড়ো কেপ্পনটা অফিসে আছে ? থাকলে ডেকে দাও।
১০।
- ওভাবে হাই তোলা বন্ধ কর।
- কি করব। হাই উঠছে যে।
- অন্তত মুখের ওপর হাত চাপা দাও।
- সর্বনাশ। ভুলে নিজের হাতে কামড় দিলে হাইড্রোফোবিয়া হবে যে।
- হাইড্রোফোবিয়া।
- হ্যা। বিয়ের পর থেকে কুকুরের মত বেচে আছি।
১১।
- অবশেষে আমার মামা চিরশান্তি লাভ করলেন।
- সেকি! তোমার মামা মারা গেছেন ?
- মামা না। মামি।
১২।
- বলতো কোন ধরনের মানুষ বেশিদিন বাচে।
- যার ধনসম্পদের দিকে আত্মিয়স্বজনেরা তির্থের কাকের মত চেয়ে থাকে।
১৩।
পান খেতে খেতে দুই বন্ধু সিনেমা হলে ঢুকেছে।
- এই, পানের পিক কোথায় ফেলি বলতো ?
- পাশের জনের পকেটে ফেলে দে।
- যাহ। টের পায় যদি ?
- টের পাবে কেন ? আমি যে তোর পকেটে ফেলেছি টের পেয়েছিলি ?
১৪।
- স্যার, আপনি যদি চান রুমবয় সকালে আপনাকে ডেকে দেবে।
- দরকার নেই। আমার ঠিক ছটায় ঘুম ভাঙে।
- তাহলে স্যার, দয়া করে যদি ওইসময় রুমবয়কে ডেকে দেন।
১৫।
- ডাক্তারসাব, আমি মোটেই ভাল নেই।
- কেন ? সমস্যা কি ?
- দেখুন না, সারাদিন গাধার মত খাটি, খাই তো পাখির আহার অথচ বাড়িতে কুকুরের মত থাকতে হয়।
- আপনি ভুল ডাক্তারের কাছে এসেছেন। পশুচিকিৎসকের কাছে যান।
১।হাতে-নাতে:
- ঘড়ির কাটা একঘন্টা এগিয়ে দেয়া হয়েছে। ফল কিছু পেয়েছেন ?
- হ। একেবারে হাতেনাতে পাকা ফল পাইছি। কাজের টাইম এক ঘন্টা বাড়ছে, লোডসেডিং বাড়ছে তিন ঘন্টা। আগে একঘন্টা না থাকলে আরেক ঘন্টা থাকার নিশ্চয়তা ছিল, অহন ঘড়ির হিসাব ছাড়াই দিনে-রাতে সমানে কারেন্ট যায়।
২।নতুন চাকরী:
- নতুন চাকরী কেমন লাগছে ? ম্যানেজারের কথামত সব কাজ ঠিকমত করছেন তো ?
- জ্বি স্যার। ওনার কথামত আপনি আসার ঠিক আগে ওনাকে ঘুম থেকে তুলে দিয়েছি।
৩।হাড়ির মৃত্যু:
নাসিরুদ্দিন হোজ্জার বাড়িতে মেহমান এসেছে। বড় হাড়ি প্রয়োজন। প্রতিবেশির বাড়ি গিয়ে বললেন, আপনার বড় হাড়িটা ধার দিন তো।
পরদিন সকালেই হাড়ি ফেরত দিতে গেলেন। সাথে ছোট একটা হাড়ি।
প্রতিবেশি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল, এটা কি ?
হোজ্জা বললেন, এটা হাড়ির বাচ্চা। হাড়ি যখন আপনার তখন হাড়ির বাচ্চাও আপনার।
প্রতিবেশি খুশী হয়ে বাচ্চাসহ হাড়ি নিয়ে ভেতরে গেল।
কদিন পর আবারও হাড়ি ধার করতে হল হোজ্জাকে। সেই হাড়ি আর ফেরত দেন না। একসময় বাধ্য হয়ে প্রতিবেশি এসে হাড়ি চাইল।
হোজ্জা বললেন, আপনার হাড়ি মারা গেছে।
প্রতিবেশি রেগে গেল শুনে, হাড়ি মারা যায় এমন কথা কেউ শুনেছে ?
হোজ্জা বললেন, হাড়ির যদি বাচ্চা হতে পারে তাহলে মরতে দোষ কোথায় ?
৪।হস্তরেখা:
- জ্যোতিষী বাবু, আমার হাতটা ভাল করে দেখুন তো। অতীত-ভবিষ্যতের কথা কিছু বলুন।
- আপনি কিছুক্ষন আগে ভালমন্দ খেয়েছেন।
- সে-কি। সেটাও হাতে লেখা আছে নাকি ?
- না। আসলে হাতে এখনো মাংশের ঝোল লেগে আছে।
৫।মন্তব্য – প্রতিমন্তব্য:
মন্তব্য :
রাজধানীতে দ্বিতল সড়ক নির্মান করা হবে।
যোগাযোগমন্ত্রী
প্রতিমন্তব্য :
শহরটারে দোতলা বানাইলে ভাল ছিল না!
৬।লজ্জা:
রাতে চোর ধরা পরে গেল। বাড়ির মালিক আচ্ছামত পিটালেন তাকে। তারপর বললেন, চুরি করিস লজ্জা করে না!
চোর বলল, লজ্জা করে বলেই তো রাতের বেলা ঢুকেছি।
৬।জিত:
- বাচাও, বাচাও কে কোথায় আছো বাচাও। একটা লোক একঘন্টা ধরে বাবাবে মারছে।
- একঘন্টা ধরে মারছে ? এতক্ষন বলনি কেন ?
- এতক্ষন যে বাবা জিতছিল।
৭।কাট এন্ড পেষ্ট:
ভদ্রলোক কম্পিউটার ব্যবহারে নতুন। কম্পিউটারে ইমেইল সফটওয়্যার ইনষ্টল করার পরও ব্যবহার করতে পারছেন না। শেষমেশ ফোন করলেন;
- ওয়ার্ডের লেখা কিভাবে মেইল করব বলুন তো।
- কাট এন্ড পেষ্ট করুন।
- লিখলাম cut and paste তারপরও কাজ হচ্ছে না।