Overblog All blogs Top blogs Humor & Comedy
Edit post Follow this blog Administration + Create my blog
MENU

Bangla blog,Bangla Kobita & Golpo.Funny Pictures & Jokes.

Advertising

কার্টুনের সাথে জুক্স ও ছবি-৭

১।আদর্শ শিক্ষক:
শিক্ষক ক্লাশরুমে ঢুকে জিজ্ঞেস করলেন, আমি কি পড়াব তা কি তোমরা জান ?
ছাত্ররা মুখ চাওয়া চাওয়ি করে বলল, না স্যার।
শিক্ষক বললেন, কি পড়াব সেটাই তখন জান না তখন পড়াব কিভাবে ?
বলে চলে গেলেন।
পরদিন আবার ক্লাশে এসেই জিজ্ঞেস করলেন, আমি কি পড়াব তা জান ?
এবার ছাত্ররা বলল, জানি স্যার।
তিনি বললেন, জানই যখন তখন আর পড়ানোর কি আছে ?
বলে চলে গেলেন।
পরদিন ক্লাশে ঢুকে সেই প্রশ্নই করলেন, আমি কি পড়াব তা কি জান ?
কজন বলল, জানি স্যার। কজন বলল, জানি না স্যার।
তিনি বললেন, যারা জানো না তারা যারা জানে তাদের কাছে জেনে নাও।
২।আগের অভ্যেস:
- 
ঘড়ির কাটা তো একঘন্টা এগিয়ে আনা হয়েছে। কিভাবে মানিয়ে নিলেন ?
- 
সরকারী চাকরী করি সরকারের কথা না শুনলে কি চলে ? নতুন নিয়মে ঘড়ি দেইখাঅফিস শেষ করি। তয় অফিসে যাই আগের অভ্যাসে। 
৩।ছাতা:
- 
সেদিন হঠাৎ করে বৃষ্টি আশায় যে ছাতাটা ধার দিয়েছিলাম সেটা ফেরত নিতে এলাম।
- 
কিন্তু ভাই ছাতাটা আমি এইমাত্র রুমিকে ধার দিলাম। সে তার এক ভাইকে ওটা দিয়ে বাজারে পাঠিয়েছে।
- 
সমস্যা হয়ে গেল যে। ছাতাটা আসলে অফিসের কামালের কাছে ধার করে এনেছিলাম।সেটা আসলে তার এক আত্মিয়ের। 
৪।ফার্মগেট ব্রিজ:
- 
দলিলে লিখুন ফার্মগেট ব্রিজটা জামাইকে দিয়ে মরতে চাই।
- 
কিন্তু এটার মালিক তো আপনি নন।
- 
তাতে কি হয়েছে। ওটা দান করতে সমস্যা কোথায় ?
- 
না, মানে . . . ওটা দান করা-
- 
তবে কি ওটা সাথে নিয়ে যাব ?
৫। ভাল হোচছে না.:
এক যায়গায় বসে সময় কাটাচ্ছিলেন এক ভদ্রলোক। কিছুক্ষন পর এক যুবক এসে বসল।টেবিলে হাত দিয়ে তবলা বাজাতে শুরু করল। ভদ্রলোক বিরক্তিভরে তাকালেন কিন্তু কাজ হল না। বাজনা ক্রমেই বেড়ে চলল। একসময় বাধ্য হয়ে মুখ খুলতে হল তাকে, ভাল হচ্ছে না কিন্তু।
তবলার জোর আরো বেড়ে গেল। ভদ্রলোক আরো বিরক্ত হলেন। গলা আরেকটু বাড়িয়েবললেন, ভাল হচ্ছে না কিন্তু।
তাতেও কাজ হল না। তবলা চলতেই থাকল। তিনি রীতিমত রেগে গিয়ে ধমক দিলেন,ভাল হচ্ছেনা কিন্তু।
সে বলল, এরচেয়ে ভাল পারি না।

 ১।নারীবিদ্বেষী এক যুবক ঈশ্বরকে জিজ্ঞেস করল—হে ঈশ্বর, তুমি নারীকে এত সুন্দরী বানিয়েছ কেন?

—যাতে তুমি তাকে ভালোবাস।
—
তাহলে ঈশ্বর, তুমি নারীকে এত বোকা বানিয়েছ কেন?
—
যাতে সে তোমাকে ভালোবাসে।

২।এক রোগী ডাক্তারের কাছে গিয়ে বলল, “ডাক্তার সাব, আমার একটা অদ্ভুদ রোগহয়েছে।”
ডাক্তার বললেন, “কি সমস্য?”
রোগী বলল, “আমি অল্পতেই রেগে যাই। গালাগালি করি”
ডাক্তার বলল, “ব্যাপারটা একটু খুলে বলুন তো।”
রোগী বলল, “হারামজাদা, কয়বার খুলে বলব!!!” 

৩। ক তরুণীর হঠাৎ কঠিন এক রোগ ধরা পড়ল। অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরচিকিৎসকেরা বললেন, ‘আপনি আর বড়জোর ছয় মাস বাঁচবেন।’
বেচারী বিমর্ষ হয়ে বাড়ি ফিরল। তারপর কী ভেবে আবার সেই চিকিৎসককে ফোন করেবলল, ‘কিন্তু আমি যে আরও অনেক দিন বাঁচতে চাই।’
চিকিৎসক কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন, ‘আপনি একটা বিয়ে করুন।’
‘
আপনি আমার সঙ্গে মশকরা করছেন!’
‘
না না,’ চিকিৎসক বললেন, ‘আমার কথা শেষ হয়নি। আপনি একজন অর্থনীতিবিদকে বিয়েকরবেন।’
‘
কেন?’
‘
তার সঙ্গে থাকলে প্রতিটি দিনই আপনার অনেক বড় মনে হবে। এবং অল্প সময়েইজীবনের ওপর বিরক্তি এসে যাবে।’

৪।গির্জায় কনফেশন চলছে—
: 
ফাদার, আমি একটি মুরগি চুরি করেছিলাম। সেটা নিয়ে আপনি আমাকে পাপমুক্ত করবেন?
: 
না, এভাবে হয়না, তুমি যার মুরগি তাকে ফেরত দিয়ে আসো।
: 
ফেরত দেওয়ার চেষ্টা করেছিলাম কিন্তু মুরগির মালিক ফেরত নিতে চায় না।
: 
সে ক্ষেত্রে তুমি পাপমুক্ত। কারণ তুমি মুরগির মালিককে ফেরত দেওয়ার চেষ্টা করেছিলে।
মুরগিচোর খুশিমনে মুরগি নিয়ে বাড়ি চলে গেল। ওদিকে পাদ্রি বাড়ি ফিরে দেখেন তাঁর মুরগিটি নেই।

৫।বিচারক : চুরি করার সময় একবারও তোমার স্ত্রী আর মেয়ের কথা মনে হয় নি?
চোর : হয়েছে, হুজুর। কিন্তু দোকানটায় শুধু ব্যাটাছেলের কাপড়ই ছিল। 

৬।সর্দারজি হাসতে হাসতে তাঁর বন্ধু বান্তা সিংকে বললেন, ‘জানিস, আজকে একটা মজার কাণ্ড ঘটেছে। এক চোর আমার মোবাইল ফোনসেটটা চুরি করে নিয়ে গেছে।’ বান্তা সিং বললেন, ‘বলিস কী? এটা মজার কাণ্ড হয় কী করে!’ সর্দারজি আবারও হাসতে হাসতে বললেন, ‘আরে তুইও তো দেখি ওই চোরের মতোই বেকুব। আমি তো ওই বেকুব চোরকে পালাতে দেখছিলাম আর হাসছিলাম। ওই ব্যাটা চোর তো আর জানে না, আমি মোবাইল ফোনের চার্জার সব সময় লুকিয়েই রাখি।’

 


Advertising
Back to home page
Share this post
Repost0
To be informed of the latest articles, subscribe:
Comment on this post