Bangla blog,Bangla Kobita & Golpo.Funny Pictures & Jokes.
পুলিশ না অ্যামবুলেন্স
মাঝরাতে স্ত্রী স্বামীকে ডেকে তুলল। ফিসফিস করে বলল, এই ওঠো, ওঠো। কাল আমি যে পুডিং বানিয়ে ফ্রিজে রেখেছিলাম চোর ঢুকে সেই পুডিং খাচ্ছে!
স্বামী বিছানায় উঠে বসে বলল, কাকে ডাকব, পুলিশ না অ্যামবুলেন্স?
ইমপোর্টেড
: আপনার স্ত্রীর অপারেশনে আমরা লোকাল অ্যানেসথেসিয়া ব্যবহার করব।
: ডাক্তার, আমার অর্থের অভাব নেই, আমার স্ত্রীকে লোকাল কিছু দেবেন না। যা দেবেন সব যেন ইমপোর্টেড হয়।
টেলিগ্রাম
স্বামী বলছেন স্ত্রীকে: শোনো। আমার যদি ব্যবসার কাজ শেষ না হয়, ফিরতে দেরি হয় তাহলে আমি তোমাকে টেলিগ্রাম করে জানিয়ে দেব।
স্ত্রী: তার আর দরকার নেই। আমি এরই মধ্যে পড়ে ফেলেছি। তোমার কোটের পকেটে আছে।
এক ছাদের নিচে জীবন পার
সবার বাড়ির ওপর একটা ছাদ থাকে। তোর বাড়ির ওপর তো দেখছি বারোটা ছাদ, ঘটনা কী?
: হ্যাঁ, মাসে মাসে আবার সেগুলো পরিবর্তনও হয়।
: কেন?
: আমার স্ত্রী যাতে বলতে না পারে এক ছাদের নিচে জীবন পার করে দিলাম।
সম্মোহনবিদ্যা
স্বামী: সম্মোহনবিদ্যা আবার কী গো?
শিক্ষিত স্ত্রী: সম্মোহনবিদ্যা জানলে দ্বিতীয় কোনো মানুষকে নিজের বশে রেখে তাকে দিয়ে ইচ্ছেমতো কাজ করানো যায়।
স্বামী: ওটা আবার সম্মোহনবিদ্যা নাকি? ওটা তো বিয়ে।
রাগের সময়
স্বামী: তোমার জ্বালায় আর ভালো লাগে না। চললাম আমি নদীতে ঝাঁপ দিতে।
স্ত্রী: কিন্তু তুমি তো সাঁতার জান না।
স্বামী: রাগের সময় এসব মনে করিয়ে দাও কেন?
স্বামীর কাজ
প্রবীণ রাজনীতিবিদের সাক্ষাত্কার নিতে এসে সাংবাদিক জানতে চাইলেন, ‘আচ্ছা, আপনি বিয়ে করেননি কেন?’ মুচকি হেসে রাজনীতিবিদ বললেন, ‘এর পেছনে রয়েছে একটি ঘটনা। আজ থেকে বিশ বছর আগে একদিন এক অনুষ্ঠানে গিয়েছিলাম। আমার সামনেই বসে ছিলেন শাড়ি পরা এক মহিলা। আমি চেয়ার থেকে উঠতে গেলে হঠাত্ তাঁর শাড়িতে একটু পা লেগে যায় আমার। নিচের দিকে তাকিয়েই মহিলা গাধা, উল্লুক, টিকটিকি, বেবুন, হনুমান, মুখপোড়া বলে শুরু করেন গালাগাল। হঠাত্ মুখ তুলে আমাকে সামনে দেখতে পেয়ে বলেন, “দুঃখিত, কিছু মনে করবেন না। আমি ভেবেছিলাম এটা বুঝি আমার স্বামীর কাজ”।
কবে পুরোপুরি মনে হবে
গিন্নি : তোমাকে ঠিক গাঁজাখোরের মতো দেখতে লাগছে।
কর্তা : এখনো মতো। বল কী গিন্নি? গত ত্রিশ বছর ধরে গাঁজা খাচ্ছি, তবুও ‘মতো’
তবে কবে পুরোপুরি মনে হবে।
প্রচন্ড গরমের দিনে বনের মধ্যে বেড়াতে গেছে দুই বন্ধু। গরমে সমস্ত জামাকাপড় খুলে ফেলেছে। হাটতে হাটতে একসময় চোখে পড়ল একটা সাইনবোর্ড, ‘বিপদজনক। ভালুক থেকে সাবধান।’
একজন খুলে রাখা জুতা পায়ে দিল।
‘ব্যাপার কি ? জুতা পায়ে দাও কেন ?’ প্রশ্ন করল আরেকজন, ‘তুমি কি দৌড়ে ভালুককে হারাতে পারবে ?’
’আসলে, ঠিক ভালুককে না। তোমাকে হারাতে পারলেই চলবে।’ উত্তর দিল সে।
যৌতুকের মটর বাইক^
- এই রিক্সা তাড়াতাড়ি যাও। নয়ত ট্রেন ধরতে পারব না।
- অতবড় ট্রেনডা ধরবেন ক্যামনে ?
- আহহা। বলেছি দেরি করলে আমার ট্রেন চলে যাবে।
- কি কইলেন ? আপনের ট্রেন? আপনে ট্রেন চালু করলেন কবে ?
যৌতুকের ঘোড়া^
শিক্ষক চুলের যত্ন নেয়া সম্পর্কে পড়াচ্ছেন। ছাত্রদের বলছেন কিভাবে যত্ন নিলে চুল উঠে যাবে না। একজন ছাত্র জিজ্ঞেস করল, স্যার আপনার মাথায় টাক পড়ল কিভাবে ?
শিক্ষক রেগে গিয়ে ছাত্রের চুল টেনে ধরলেন, বেয়াদপ।
ছাত্র তাড়াতাড়ি বলল, স্যার। এভাবে প্রাকটিক্যাল না দেখিয়ে থিওরি বললেই হত।
- কিরে, তুই নাকি স-কে হ বলিশ। কথায় কথা গালি দিস ?
- কোন হালায় কইছে ?
জানা যায় বিশ্বের সংক্ষিপ্ততম চিঠি লিখেছিলেন মার্ক টোয়েন তার প্রকাশকের কাছে। তাতে লেখা ছিল “?’, অর্থাৎ অবস্থা কি।
প্রকাশকের উত্তরও ছিল সংক্ষিপ্ত। “!”
বাংলা ভাষায় সংক্ষিপ্তচিঠির যা খোজ পাওয়া যায় তা মেসে বসবাস করা ছাত্র এবং তার পিতার মধ্যে।
পুত্রের চিঠি, ”টাকা চাই। ইতি কানাই।”
পিতার উত্তর, “করো মাপ। তোমার বাপ।”
তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে এক ভদ্রলোক তার গেঞ্জি গায়ে দিল উল্টো করে। সেটা লক্ষ্য না করেই রওনা হল বাইরে।
বাড়ির কাজের লোক দেখে এগিয়ে এসে জিজ্ঞেস করল, হুজুর কি যাইতেছেন না আইতেছেন ?

- গরুর চামড়া, হরিনের চামড়া, বাঘের চামড়া সবই তো দেখেছিন। হাতির চামড়া দেখেছিস ?
- হ্যা।
- কোথায় ?
- কেন চিড়িয়াখানায়। হাতির গায়ে।
২।
ইলিশ ফ্যাশন^
শিক্ষক : তোমাকে বলেছি গরু রচনা লিখতে আর তুমি লিখেছ রতন। এটা কি হল ?
ছাত্র : স্যার আপনি গতকাল রতনকে গরু বলেছেন। সেজন্যই এই গরু সম্পর্কে রচনা লিখেছি।
৩।
এক আত্মভোলা প্রফেসর একদিন ক্লাসে এসে বললেন, আজকে আমি তোমাদের ব্যাঙ সম্বন্ধে পড়াব। এই দেখ, আমি একটা ব্যাঙ নিয়ে এসেছি।
ছাত্রদের কয়েকজন একসাথে বলে উঠল, ব্যাঙ কোথায় স্যার? ওটা তো আলুর চপ।
প্রফেসর অবাক হয়ে বললেন, তাহলে সকালে আমি নাশতা করলাম কী দিয়ে?
৪।
১।পার্কিং নিষেধ:
ট্রাফিক পুলিশের সিগনাল না শুনে একটা গাড়ি এগিয়ে গেল সামনে। মোটরসাইকেলে বসা সার্জেন্ট রেগে গিয়ে ধাওয়া করল তাকে। একসময় থামাল রাস্তার পাশে, ‘থামলে বললাম, থামলেন না কেন ?’
চালক বলল, ‘থামব কিভাবে ? ওখানে লেখা আছে পার্কিং নিষেধ।‘
২।পেটের ব্যথা:
- ডাক্তার সাব, আমার পেটের ব্যথা আরো বেড়ে গেছে।
- আপনাকে বারবার বলেছি দুবছরের বাচ্চা যা খায় তাই খাবেন।
- তাই খেয়েই তো এই অবস্থা।
- সেকি! কি খেয়েছেন ?
- জুতার ফিতা, বোতাম, কলমের ক্যাপ …
৩।তোমার নামেঃ
বাবা – তুই যে বারবার ফ্রিজ থেকে খাবার এনে খাচ্ছিস, তোর মা বকা দেবে না ?
ছেলে – না। আমি তো তোমার নাম করে আনছি-
৪।স্বভাব থেকে জানাঃ
- ছবিটা সূর্যোদয়ের না কি সূর্যাস্তের?
- সূর্যাস্তের, কোনো সন্দেহ নেই।
- কীভাবে নিশ্চিত হচ্ছো। সুর্যোদয়েরও হতে পারে।
- আর্টিস্টকে আমি চিনি। বারটার আগে কোনো দিন ঘুম থেকে ওঠে না।
৫।পায়ের ব্যবহারঃ
– ব্যাটা পাজি কোথাকার। লাথি মেরে একেবারে ভর্তা বানিয়ে দেব।
- কেন, আমার বুঝি পা নেই।
- কি, এতবড় কথা। তুই আমাকে মারবি ?
- দৌড় দেব।
৬।সঞ্চয়ঃ
- দুর্যোগ, দুর্দিনের জন্য কিছু জমিয়ে রেঝেছ ?
- কেন। আমার ছেড়া ছাতা।
৭।আয়ুঃ
- বলতো কোন ধরনের মানুষ বেশিদিন বাচে।
- যার ধনসম্পদের দিকে আত্মিয়স্বজনেরা তির্থের কাকের মত চেয়ে থাকে।
৮।নাটকঃ
- নিজে এক মিনিটের নাটক বানাতে পারেন না আবার সমালোচনা করেন, নাটক নিয়ে জ্ঞান দিতে আসেন।
- আমি মুরগির মত ডিম পাড়তে পারি না তবে ডিমের ওমলেটের ভালমন্দ মুরগির চেয়ে ভাল বুঝি।
৯।উপহারঃ
- আমাকে যে বাশিটা কিনে দিয়েছো সেটা আমার সবচেয়ে ভাল উপহার।
- তাই নাকি ?
- হ্যা। ওটা না বাজানোর জন্য মা প্রতিদিন আইসক্রিম কিনে দেয়।
১০।গরমঃ
- খাবারের মধ্যে পোড়া মাছি দেখা যাচ্ছে। ব্যাপার কি ?
- খাবারটা খুব গরম স্যার। গরমে পুড়ে মরেছে।
১১।প্রাননাথঃ
- বাইগুনের কেজি কত ?
- কি বললেন ? বাইগুন ? এর নাম বেগুন। এত সুন্দর একটা নাম থাকতে বলেন বাইগুন।
- সুন্দর নাম! সুন্দর নামে ডাকলে বেগুন দরকার কি. প্রাননাথ বললেই হয়। দাও দেখি এক কেজি প্রাননাথ।
১২।অর্ধেকঃ
জর্জ বার্নার্ড স সুবক্তা ছিলেন। মানুষ ভিড় করে তার বক্তৃতা শুনতে যেত। জানা যায় একবার তিনি বক্তৃতার সময় বলেছিলেন, ‘আমি দেখতে পাচ্ছি আমার সামনে অর্ধেক মানুষই মুর্খ।’
শ্রোতারা রেগে গেল। পারলে তাকে মারতে যায়। তিনি তাড়াতাড়ি তাদের সামাল দিতে বললেন, ’না-না। আমি দেখতে পাচ্ছি আপনাদের অর্ধেকই বুদ্ধিমান।’
১।
- মাইক্রোসফটের প্রোগ্রামের নাম জানালা (উইন্ডোজ) কেন বলতে পারেন ?
- এর মালিকের নাম দরজা (গেটস) তাই।
২।
- মা আমি স্কুলে ১০০ মিটার দৌড়ের রেকর্ড ভেঙেছি।
- তাই তো করবে। বাড়িতে সব জিনিষপত্র ভাঙবে আর স্কুলে গিয়ে রেকর্ড ভাঙবে।
৩।
অত্যন্ত মোটা এবং অত্যন্ত রোগা দুই বন্ধু হাটছিল পথে। মোটা বন্ধু একসময় বলল, তোমাকে দেখলে লোকে ভাববে এদেশের মানুষ খেতে পায় না।
রোগা বন্ধুর উত্তর, কেন খেতে পায় না সেটাও বুঝবে তোমাকে দেখলে।
৪।
শিক্ষকঃ আচ্ছা বলতো Something is better than nothing এর বাংলা কি হবে?
ছাত্রঃ Something is better than nothing=সামিরুদ্দিন বেটার নাতিন।

মাছ কলা।
৫।
বাবা কিচ্ছু জানে না।কয় পিসি নাকি কাম করে না!!বেয়াক্কেল বাবা।
৬।
বাংলা উচ্চারণ
৭।
হানিমুন
১।অবলাঃ
- চেয়ারম্যান সাব, ধরেন আপনার গরু আমার বাগানের বেড়া ভাইঙ্গা ভিতরে ঢুকছে, গাছ নষ্ট করছে। তাইলে কি করা যায় ?
- কি আর করা যাবে। অবলা প্রানী।
- তাইলে চেয়ারম্যান সাব, অবলা প্রানীরে কিছু করা দরকার নাই। আমার গরু আপনের বাগানের গাছ খাইছে ….
২।পাগলঃ
অন্যান্য যাত্রীদের সাথে খেয়া নৌকায় উঠেছে এক পাগল। তাকে দেখেই মাঝির মাথা ঘুরতে শুরু করল। যদি মাঝ নদীতে গিয়ে কোন পাগলামি করে। সে আগে থেকেই সাবধান করল, দেখ পাগল। যা করিস করিস, মাঝ নদীতে নৌকা ঢুলাস না।
পাগল হেসে বলল, ভাল কথা মনে করেছিস।
৩।বুদ্ধিজীবীঃ
মৃত্যুর পর বুদ্ধিজীবীরা বেহেসতে যান না দোযখে যান, স্বর্গে যান না নরকে যান জানা কঠিন। যেখানেই হোক দুজন বুদ্ধিজীবী একসাথে গেলেন। পরিচয়ের গুনে তাদের একসাথে থাকতে দেয়া হল। কিন্তু বিষয়টি বেশিক্ষন টিকল না। কর্তৃপক্ষের কাছে খবর গেল তারা দুজন গন্ডগোল করছেন।
একজন কর্তাব্যক্তি এসে জিজ্ঞেস করলেন, আপনারা দুজনেই বুদ্ধিজীবী, দুজনেই একই ভাষায় কথা বলেন, একই দেশ থেকে এসেছেন তাহলে নিজেদের মধ্যে গন্ডগোল করছেন কেন ?
উত্তর এল, আমাদের একজন জাতিয়তাবাদী বুদ্ধিজীবী আরেকজন আওয়ামী বুদ্ধিজীবী
৪।নকলঃ
- এমন সুস্থ সবল ভাল মানুষকে কেউ ভিক্ষে দেয় না, তোমাকে অন্ধ নয়ত খোড়া হতে হবে। কোনটা হতে চাও।
- খোড়া। অন্ধ হলে কেউ নকল টাকা দিয়ে যেতে পারে।
৫।গাধাঃ
- দেখেছ ছেলেটা কেমন কাদছে। গাধার পিঠে চড়বে বলে বায়না ধরেছে, কিছুতেই থামছে না।
- বেশ তো। ওকে তোমার পিঠে চড়াও। দেখবে কান্না থেমে গেছে।
৬।চিন্তাই রোধকঃ
- ঢাকা শহরের রাস্তার কি অবস্থা দেখেছেন! যেখানে দাড়াবেন সেখানেই শতশত, হাজার হাজার মানুষ। খালি মানুষ আর মানুষ।
- আমি চাই মানুষ আরো বাড়ুক। দিনে রাতে সবসময় ভিড় লেগে থাকুক।
- সেকি!
- হ্যা। ভিড়ের মধ্যে ছিনতাইকারী ছিনতাইয়ের সুযোগই পাবে না।
৭।এক কথায়ঃ
নতুন বিয়ে করা জামাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ সে শ্বশুরবাড়ি গিয়ে কথা বলে না। তার বাবা বারবার তাকে বুঝালেন, যাও। গিয়ে শ্বশুরমশাইয়ের সাথে আলাপ করে এস। ভাল করে সবার সাথে কথা বলবে। শ্বশুরবাড়ি পাশের গ্রামেই। উপায় না দেখে সে রওনা হল।
তাকে দেখে শ্বশুর মাশাই এগিয়ে এলেন, কি খবর। সবাই ভাল আছে তো ?
সে বলল, খবর ভাল না। বাবা পাগল হয়ে গেছে। হাতে লম্বা একটা লাঠি নিয়ে থাকে সবসময়। বিড়বিড় করে কথা বলে আর সামনে যাকে পায় তাকেই পেটায়। আমি দেরী করতে পারব না। এখনই ফেরত যাব।
শ্বশুর বললেন, এতো খারাপ খবর। দেখতে যেতে হয়।
সে বলল, হাতে একটা লম্বা লাঠি নিয়ে যাবে। তাকে দেখলেই বিড়বিড় করে কথা বলবেন আর লাঠি ঘুরাবেন। সম্ভব হলে মাথায় একটা বাড়ি লাগিয়ে দেবেন। তাহলে স্বাভাবিক হবে। কাল দুপুরে যাবেন।
বলেই সে ফিরল নিজের বাড়ি। তাকে ফিরতে দেখে বাবা জিজ্ঞেস করল, কি ব্যাপার। এত তাড়াতাড়ি ফিরলে যে।
সে বলল, শ্বশুর মশাই পাগল হয়ে গেছেন। হাতে একটা লম্বা লাঠি নিয়ে ঘোরেন। কাউকে দেখলেই সেটা ঘোরান আর মারতে আসেন।
বাবা বলল, তাহলে তো দেখতে যেতে হয়।
সে বলল, হাতে লম্বা লাঠি নিয়ে যাবেন। তাকে দেখলেই লাঠি ঘুরাতে থাকবেন আর বিড়বিড় করবেন। যদি তাতেও ঠান্ডা না হয় তাহলে একটা বাড়ি দেবেন। দুপুরে রওনা হবেন।
পরদিন দুপুরে দুজন দুদিক থেকে লাঠি হাতে রওনা হল। আর পথে দেখা হল। দুজনেই দেখল আরেকজনের হাতে লাঠি, সেটা ঘুরাচ্ছে আর বিড়বিড় করছে। দুজনেই তৈরী হয়ে সাবধানে কাছে এগোতে থাকল। আর সুযোগ খুজতে থাকল কে কারে ঠান্ডা করবে। কিছুক্ষন পরই দেখা গেল দুজনেই রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে।
ছেলে এসে হাজির হল সেখানে। বলল, আমি কথা বলি না দেখে এত অভিযোগ। এক কথাতেই এই অবস্থা বেশি বললে কি হবে!