Bangla blog,Bangla Kobita & Golpo.Funny Pictures & Jokes.
১।অফিস ছুটির মুহুর্তে বাড়ি থেকে ফোন পেলেন ভদ্রলোক,
- কখন আছস?
- বাড়িতে কারেন্ট আছে ?
- না।
- পানি আছে ?
- না।
- তাহলে গিয়ে কি করব। দুঘন্টা পর আসি।
২।Metal, Rap, Hiphop
- তুই সারাদিন এসব কি বলিশ একটা কথাও বুঝি না।
- তুমি বুঝবে না। এসব ইংরেজি গান। আজকাল সারা পৃথিবীর মানুষ এই গান শোনে, এই গান গায়। মেটাল, র্যাপ, হিপহপ, আরএনবি-
- বুঝলাম। সারাদিন ইংরেজি গান করিশ, তারপর ইংরেজিতে ফেল করলি কেন ?
- আমি কি করব ? স্যাররা কি ইংরেজি গান শোনে ! না ইংরেজি বোঝে !
৩।সরিঃ
- সরি।
- ধাক্কাডা তো ঠিকই দিলেন অহন না সইরা করবেন কি। অহনও গাও ঝনঝন করতাছে। যান সরেন।
৪।মেডিকেল কলেজঃ
- আরে কেমন আছেন ? ক্লান্ত দেখাচ্ছে একেবারে, কোথা থেকে ফিরলেন।
- ছেলেটাকে মেডিকেল কলেজে ভর্তি করে দিলাম।
- বলেন কি ? আমি তো ভেবেছিলাম ওই আড্ডাবাজ বাউন্ডুলে কোথাও ভর্তির সুযোগই পাবে না,একেবারে মেডিকেল কলেজে!
- ভর্তি না করে কি করব বলুন। হাত পা দুইই ভেঙেছে।
৫।নিজের কথা ঃ
- কিরে তুই দুই হাতে দুই মোবাইল নিয়ে কার সাথে কথা বলছিস ?
- নিজের সাথে। নিজের কথা মোবাইলে কেমন শোনা যায় তাই দেখছি।
৬।ভাল চাকরীঃ
- আচ্ছা বলুন তো ভাল চাকরী মানে কি ?
- যে চাকরীতে বেতন বেশি, উপড়ি আয় আরো বেশি, কাম করতে হয় না, মামা কিংবা দুলাভাই বস, সেক্রেটারী সুন্দরী, ফ্রি টেলিফোন, ফ্রি ইন্টারনেট, ফ্রি খাওয়াদাওয়া, – আর, কিজানি। মনে পড়তাছে না।
৭।মোবাইলঃ
- দোস্ত এই মোবাইল ফোনডা কিনছি। এক্কেরে অরিজিন্যাল হাঙ্গেরি। মাইকের মত গান শোনা যায়। রেডিও, ক্যামেরা, ভিডিও সব রইছে। ভিসিডি দেখা যায়। লোডসেডিং এর জন্য লাইটও।পাচচল্লিশ হাজার দাম।
- দেতো মোবাইলটা। একটা ফোন করি।
- আহহারে রে। নেটওয়ার্কে একটু সমস্যা। কথা পরিস্কার হয় না। আর সব ঠিক আছে।
৮।কিসের মাংশঃ
কোরিয়ায় হোটেলে মাংশ খেয়ে একজনের খুব ভাল লাগল কিন্তু সে বুঝল না সেটা কিসের মাংশ।এদিকে সেখানকার ভাষাও তার জানা নেই। আর কোন উপায় না দেখে একজন বেয়ারাকে ডেকে সে ছাগলের মত অভিনয় করে জিজ্ঞেস করতে চেষ্টা করল, ব্যা-, ব্যা
বেয়ারা বুঝলে পারল তার প্রশ্ন। সে উত্তর দিল, ভৌ, ভৌ
৯।কাঁদতে নেইঃ
বাবা – কি রে খোকা, কাদছিস কেন ?
ছেলে – মা মেরেছে।
বাবা – ধুর বোকা। এভাবে কাদতে নেই। মার খেলে কি কাদতে হয় ? আমাকে কখনো কাদতে দেখেছিস ?
১০। আছেন:
আছেনঃ
একজন নাস্তিক কিছুতেই সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব বিশ্বাস করতে রাজি না। রীতিমত বাজি ধরে ফেলল সে, আমি সারা পৃথিবী ঘুরে দেখব সৃষ্টিকর্তা থাকার, তার সবকিছু নিয়ন্ত্রন করার কোন নমুনা চোখে পড়ে কিনা।
সে ঘুরতে শুরু করল। লন্ডন, নিউইয়র্ক, টোকিও, ব্যাংকক সব যায়গায় ঘুরল। একসময় ঢাকায় এসে হাজির হল। অন্য যায়গায় সে থেকেছে ১ দিন করে, ঢাকায় সে দিনের পর দিন কাটাতে থাকল। তার দেখা যেন শেষ হয় না। তারপর একসময় সোজা হাজির হল যার সাথে বাজি ধরেছিল তারকাছে।
পরাজয় স্বীকার করে বলল, ঠিকই সৃষ্টিকর্তা আছেন। সব যায়গায় দেখেছি মানুষ সবকিছু নিয়ন্ত্রন করে, ঢাকায় দেখলাম কেউ কিছু নিয়ন্ত্রন করে না। রাস্তায় গাড়ি-রিক্সা কেউ নিয়ন্ত্রন করে না,পথে ছিনতাইকারীকে কেউ নিয়ন্ত্রন করে না, অফিসে ঘুষখোরকে কেউ নিয়ন্ত্রন করে না, ব্যবসার নামে বাটপারীকে কেউ নিয়ন্ত্রন করে না, খাবারে ভেজাল দেয়া কেউ নিয়ন্ত্রন করে না। সৃষ্টিকর্তা আছেন এবং নিজেই সবকিছু নিয়ন্ত্রন করেন বলে দেশটা টিকে আছে।