Bangla blog,Bangla Kobita & Golpo.Funny Pictures & Jokes.
সম্রাট আকবর এবং বীরবল হেটে বেড়াচ্ছিলেন। প্রাসাদের কোনে কিছু কাক চোখে পড়ল সম্রাটের। বীরবলকে জিজ্ঞেস করলেন, বলুন তো দিল্লীতে কাকের সংখ্যা কত ?
বীরবর বলল, ৯ হাজার ৯ শত ৯৯।
আকবর বিস্ময় প্রকাশ করে বললেন, আপনি এমন নিখুত সংখ্যা জানলেন কিভাবে ?
বীরবল উত্তর দিল, বিশ্বাস না হয় গুনে দেখুন। যদি বেশি দেখেন তাহলে জানবেন অন্য শহর থেকে বেড়াতে এসেছে। আর যদি কম পান তাহলে জানবেন অন্য শহরে বেড়াতে গেছে।

- আপনের ঘরে অনেক বই। মোটা চাইয়া দুই-চারডা বই দ্যানচে। লইয়া যাই।
- আপনি বই নিয়ে কি করবেন ? পড়বেন ? কোন ধরনের লেখা পড়েন ?
- ধুর ছাই। বই পড়নের সময় আছে নাকি। দ্যান ঘরে সাজাইয়া রাখি। বই না রাখলে লোকে মুখ্যু মনে করে। ওই মোটা বইগুলান দেন।
“ঘন ঘন লোডসেডিং এর কারণে হতাস বা আতঙ্কগ্রস্থ হওয়ার কিছু নেই। সুনামি, সিডর, নাগিসের ওপর যেমন আমাদের নিয়ন্ত্রন নেই তেমনি বিদ্যুতের ওপরও সরকারের নিয়ন্ত্রন নেই।“
বিদ্যুত প্রতিমন্ত্রী

আইন শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক
- সামনে ওইযে পাহাড়টা দেখছেন ওটা একটা জীবন্ত আগ্নেয়গিরি।
- সেটা আবার কি ?
- মানে ওটা থেকে মাঝে মাঝে প্রচন্ড গর্জন আর আগুনের হলকা বের হয়।
- ও বুঝেছি। আমার বউয়ের মত।

নাসিরুদ্দিন হোজ্জা যখন ছোট তখন সে অদ্ভুত আচরন করত। যে যা বলত ঠিক তার উল্টো কাজ করত। কোন কাজ নিষেধ করলে সেই কাজই করত, কিছু করতে বললে সেটা করত না।
একদিন সে বাবার সাথে হাটে যাচ্ছে গাধার পিঠে বস্তা চাপিয়ে। পথে খাল পাড়ি দিতে হয়। পানিতে নেমে হোজ্জার বাবা দেখলেন নাসিরুদ্দিনের বস্তা পানি ছুই ছুই করছে। তাকে সাবধান করতে যাবেন তখনই মনে হল তার বিপরীত কাজ করার কথা। সাথে সাথে বললেন, ‘ওটা পানিতে চেপে ধর।’
সে সাথেসাথে বস্তাটা পানিতে চেপে ধরল।
তার বাবা খুব বিরক্ত হলেন। বললেন, ‘সবসময় যা বলি ঠিক উল্টো কাজ কর। এখন যা বললাম ঠিক তাই করলে কেন ?’
নাসিরুদ্দিন গম্ভীরভাবে বলল, আমি ঠিক করেছি বছরে একদিন যে যা বলে তাই করব। আজ সেই দিন।
এক অন্ধ রাতের অন্ধকারে হাতে আলো নিয়ে চলছিল। পরিচিত একজন দেখে অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল, কি ব্যাপার। তোমার হাতে বাতি কেন ?
অন্ধ বলল, বাতি অন্যদের জন্য। অন্যরা যেন দেখতে পায় সামনে বাতি আছে। মানুষ আছে।
- আমার নাম পাতলা খান। আপনার ?
- আমার নাম নাই খান।
- নাই খান ! এটা কি নাম হয় ?
- হবে না কেন ? এই স্বাস্থ্য নিয়ে আপনার নাম যদি পাতলা হয় তাহলে আমার নাম তো তা-ই হয়।
- কারেন্টের অবস্থা দেখেছে ? ঘন্টায় ঘন্টায় যায়।
- - তোমার মুখে সবসময় খারাপ কথা। ভালকথা মুখ দিয়ে বেরই হয় না। কারেন্ট ঘন্টায় ঘন্টায় আসে বলতে পার না ?
- কইতাছেন তিন বৎসরের ড্রাইভিং অভিজ্ঞতা। রাস্তার মোড়ে লাল-সবুজ-হলুদ বাতির মানে জানেন ?
- হ, জানি। সবুজ মানে ধাক্কা দিয়া গেলেও কেউ কিছু কইব না। লাল মানে ধাক্কা দেওনের আগে দেখতে অইব ধারেকাছে ট্রাফিক পুলিশ রইছে কি-না। আর হলুদ হইলে যতটা পারেন গতি বাড়াইয়া দিবেন। লাল হওনের আগেই ওপারে যাওন চাই।