Bangla blog,Bangla Kobita & Golpo.Funny Pictures & Jokes.
একদিন এক প্রতিবেশী গোপাল ভাঁড়ের কাছে এসে :
‘আমাকে একটা চিঠি লিখে দাও।’
‘আমি চিঠি লিখতে পারবো না, আমার পায়ে ব্যথা।’
প্রতিবেশী আশ্চর্য হয়ে বললো, ‘চিঠি তো লিখবে হাত দিয়ে, পায়ে ব্যথা তাতে কী হয়েছে?’
‘কারণ আমি অতোদূর হেঁটে যেতে পারবো না।’
‘অতোদূর হাঁটতে পারবে না মানে?’
‘মানে আমার লেখা চিঠি আমি ছাড়া আর কেউ পড়তে পারবে না। আমার হাতের লেখা খুব খারাপ তো। যাকে চিঠি পাঠাবে, তাকে তো আমাকেই পড়ে দিয়ে আসতে হবে, তাই না? পায়ে ব্যথা নিয়ে যাবো কিভাবে?
আব্দুল করিম সাহেবের বাসার সামনের গাছতলায় আড্ডা হচ্ছে। ঠিক আড্ডা বলা যাবে না, জটিল গবেষণা হচ্ছে বলা যায়। কারণ আব্দুল করিম সাহেব নিখোঁজ। পয়লা বৈশাখ থেকেই তিনি নিখোঁজ। তাঁকে নাকি পয়লা বৈশাখের কালবোশেখি ঝড় উড়িয়ে নিয়ে গেছে।
- তুমি ঠিক দেখেছ উনাকে কালবোশেখি ঝড়ে উড়িয়ে নিয়ে গেছে?
- অবশ্যই। আমরা দুজন একসঙ্গে বাজার করলাম···
- তারপর?
- তারপর তিনি একটা ইলিশ কিনলেন, আমি কিনলাম বোয়াল···বউ বলেছিল বোয়ালের সঙ্গে লাউ কিনতে···
- উফ! শটকাটে বলো।
- তিনি ইলিশ কিনে বের হলেন···
- আচ্ছা তিনি হঠাৎ করে ইলিশ কিনলেন কেন? আরেকজন জানতে চায়।
- বাহ্, পয়লা বৈশাখ···পান্তা-ইলিশের একটা ব্যাপার আছে না?
- কিন্তু তিনি তো একা মানুষ।
- একা হলে কী হয়েছে, শখ-আহ্লাদ থাকতে পারে না?
- আহ্, আপনারা মূল প্রসঙ্গে আসুন। তারপর কী হলো?
- তারপর শুরু হলো কালবোশেখি ঝড়···তিনি দৌড়ে ঠিক এই গাছতলায় ছুটে এসে দাঁড়ালেন। আর আমি মোক্তারদের বাসার গেটে আশ্রয় নিলাম···তখনই ৮০ মাইল স্পিডে একটা দমকা হাওয়া···হঠাৎ দেখি উনি নাই···
- ৮০ মাইল স্পিড তুমি কী করে বুঝলে?
- আরে বোঝা যায়। ঝড় তো আর কম দেখলাম না।
- কিন্তু খুব শিগগির কি আশপাশে মাংস-বৃষ্টি হয়েছে?
এলাকার ব্রেনওয়াশ কোচিং সেন্টারের পরিচালক মোতাব্বের জানতে চান।
- মাংস-বৃষ্টি?
- হ্যাঁ।
- কেন, মাংস-বৃষ্টি হবে কেন?
- হয় হয়। এগুলো বিজ্ঞানের কথা, আপনারা বুঝবেন না। ঝড় যদি মানুষ, গরু, ছাগল উড়িয়ে নিয়ে যায় আকাশে, তাহলে দুই দিন পর মাংস-বৃষ্টি হয়। কেন, মনে নেই, একবার খবরের কাগজে বের হলো ‘কুমিল্লায় মাংস-বৃষ্টি’।
বিষয়টা ব্রেনওয়াশ কোচিং সেন্টারের পরিচালক ব্যাখ্যা করলেন সবার কাছে-ঝড় যখন কাউকে উড়িয়ে নিয়ে যায় তখন ঝড়ের দমকা বাতাসের ঘূর্ণির মধ্যে পড়ে মানুষটা (বা প্রাণীটাও হতে পারে) ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়···ঝড়ের কেন্দ্রে যে চোখ থাকে, তার আশপাশেই সেই ভয়ানক ঘূর্ণি···বাতাসের চক্রের মতো আর কি!
বিষয়টা সম্পর্কে ব্রেনওয়াশ কোচিং সেন্টারের পরিচালকের ব্যাখ্যা শুনে সবাই টাসকি খেয়ে যায়। তবে না, সবাই একমত যে এখনো কোথাও মাংস-বৃষ্টির কথা কোনো খবরের কাগজে বের হয়নি।
- তাহলে তিনি এখনো বাতাসের ঘূর্ণির মধ্যেই আছেন?
- মানে?
- মানে ওই যে বললাম, ঝড়ের কেন্দ্রে যে চোখ থাকে তার চারপাশের বাতাসের ঘূর্ণির মধ্যে ঘুরছেন, হয়তো এখনো ছিন্নভিন্ন হননি। তবে বাতাসের ঘূর্ণিত চক্রের মধ্যেই ঘুরছেন।
- ঘূর্ণিত চক্র?
- আচ্ছা আকাশের কোন স্তরে এই চক্র? আরেকজন অতি উৎসাহী জানতে চান।
- বলা মুশকিল, মনে হয় তৃতীয় স্তরে,
ট্রাটোস্কেয়ারে হতে পারে···ঝড়ঝক্কা তো সব ওই স্তরেই হয় বলে শুনেছি।
- আচ্ছা, উনার কাছে কি মোবাইল ফোনসেট ছিল?
আরে তাই তো, উনার মোবাইলে একটা ফোন দিলেই তো হয়। সবাই হায় হায় করে উঠল, এই সামান্য বুদ্ধিটা কারও মাথায় আসেনি কেন? তাঁর মোবাইল ফোন নম্বরটা কত?
দেখা গেল তাঁর মোবাইল ফোন নম্বরটা কারও কাছে নেই। আশ্চর্য, এলাকার একজন চিরকুমার, সবার সুখে-দুঃখে এগিয়ে আসেন, অথচ তাঁর মোবাইল নম্বরটা কারও কাছে নেই? এটা হতে পারে না। উপস্থিত আড্ডার সবাই ভেতরে ভেতরে অত্যন্ত লজ্জিত হলেন বলে মনে হলো।
তবে না, পরদিন এলাকার মোবাইল ফোন ফ্লেক্সিলোড সেন্টারে খোঁজখবর করে তাঁর নম্বরটা বহু কষ্টে পাওয়া গেল এবং ফোন দেওয়া হলো সঙ্গে সঙ্গেই···রিং হচ্ছে··· রিং হচ্ছে···কিন্তু ধরছে না। আবার করা হলো। এবারও রিং হচ্ছে, রিং হচ্ছে···ধরছে না কেউ!
অবশ্য ট্রাটোস্কেয়ারে ঘুরন্ত অবস্থায় বাতাসের ঘূর্ণিত চক্রে কি উনি ফোন রিসিভ করতে পারবেন? কিংবা নেটওয়ার্ক থাকবে ওখানে? বলা মুশকিল। দান দান তিন দান। তৃতীয়বারের বার কেউ ফোন ধরল বলে মনে হলো।
- ধরছে···ধরছে···হ্যালো?
- কে? (করিম সাহেবের গলা)
- ক-করিম সাহেব, আপনি কোথায়?
- আমি চক্রে।
- সর্বনাশ!···উনি সত্যি সত্যিই বাতাসের ঘূর্ণিত চক্রের মধ্যে পড়েছেন···
- দেখলেন, বলেছিলাম না? বিজ্ঞের হাসি দিয়ে ব্রেনওয়াশ কোচিং সেন্টারের পরিচালক মোতাব্বের মোবাইল ফোনসেটটা এক রকম ছিনিয়েই নেন।
- আপনি এখন কোন স্তরে?
- তৃতীয় স্তরে উঠেছিলাম, কিন্তু তোমাদের কারণে আর পারলাম না···বলে ফোনের সংযোগ কেটে দিলেন আব্দুুল করিম সাহেব।
- মনে হয় এই মাত্র তিনি ছিন্নভিন্ন হয়ে গেলেন···চিন্তিত ভঙ্গিতে বললেন ব্রেনওয়াশ কোচিং সেন্টারের পরিচালক। অন্যরা হায় হায় করে উঠলেন। এলাকার একজন সুসন্তান আমরা হারালাম।
আর তখনই করিম সাহেবের দরজায় শব্দ হলো। সবাই মাথা ঘুরিয়ে তাকিয়ে দেখেন, তিনি, মানে আব্দুল করিম সাহেব দরজা খুলে বের হয়ে আসছেন। গায়ে গেরুয়া রঙের একটা চাদর, হাতে মোবাইল ফোনসেট। ভ্রূ জোড়া অতিমাত্রায় কুঞ্চিত, বিরক্ত।
বলাই বাহুল্য, তিনি মেডিটেশনে বসেছিলেন। গামা আলফা লেভেল পার হয়ে তামা লেভেলে···প্রায় পৌঁছেও গিয়েছিলেন কিন্তু পাড়ার ছেলেপেলের জন্য এ যাত্রায় সম্ভব হলো না।
একজন বৈরাগী গোপালকে চিনত না। সে গোপালের সামনে এসে বলল, “ঈশ্বরের সেবার জন্য আপনি কিছু চাঁদা দেবেন?”
গোপাল কিছু না বলে বৈরাগীকে একটা টাকা দিল।
টাকাটা পেয়ে বৈরাগী খুশি হয়ে পথ হাঁটতে লাগল। কিছুটা যেতেই গোপাল তাকে ডাকল, “ও বৈরাগী, একবারটি আমার কাছে এসো।”
বৈরাগী খুশিমনে তার কাছে আসলে গোপাল বলল, “তোমার বয়স কত?”
“আঠারো আজ্ঞে।”
“আমার বয়স পঞ্চান্ন।”
“তাতে কি হল?”
“এইমাত্র ঈশ্বরের সেবার জন্য যে একটা টাকা নিয়েছ সেটা ফেরত দাও, কারণ তোমার আগেই আমি স্বর্গে যাব এবং ঈশ্বরের সেবার সুবর্ণ সুযোগ পাব।
গোপাল একবার তার দুই বেয়াই-এর সাথে এক জায়গায় যাচ্ছিল। পথের ধারে দক্ষিণমুখো হয়ে সে প্রস্রাব করতে বসলে এক বেয়াই বলল, “আরে করেন কি, আপনি জানেন না, দিনের বেলা দক্ষিণমুখো হয়ে প্রস্রাব করতে নেই, শাস্ত্রে নিষেধ আছে যে!”
অপর বেয়াই বলল, “শুনেছি উত্তরমুখো হয়েও নাকি ওই কাজটি করতে নেই।”
গোপাল বলল, “ওসব পন্ডিতলোকদের বচন, আমি গাঁইয়া মুখ্যুসুখ্যু মানুষ, ওসব বাছবিছার আমি করি না, সব মুখেই প্রস্রাব করি। বড় বেয়াই যে মুখে বললেন সে মুখে করি আর ছোট বেয়াই যে মুখে বললেন সে মুখেও করি।”
গোপালের মুখের কথা শুনে বেয়াইদের মুখে আর কথা নেই।
গোপালের সাথে এক ভদ্রলোকের পরিচয় করিয়ে দিচ্ছেন রামবাবু, ‘বুঝলে গোপাল, ইনি হলেন শ্রী বিদ্যাচরণ মিশ্র। তোমার মতো অকাট মূর্খ নন, রীতিমত যাকে বলে বিদ্যের জাহাজ!’
‘তা জাহাজই যখন ডাঙায় কেনো? সাগরের জলে ভাসিয়ে দিন না!’ গোপালের সরল উত্তর।
গোপালকে বলছেন রামবাবু, ‘এখানে বাঁদরের বড্ড উৎপাত। তোমাকে তো দেখতে বেশ বাঁদরের মতোই! ওদের দলে তোমাকে ছেড়ে দিলে কি হবে বলতো? তুমি নিশ্চই কখনো বাঁদর দেখনি?’
‘আজ্ঞে না! আপনার মত বাঁদর আমি আগে আর কক্ষনো দেখিনি!’ গোপালের সোজা-সাপ্টা উত্তর।
গোপালের জ্যোতিষ চর্চার খ্যাতি শুনে দূর গ্রাম থেকে হাত দেখাতে এসেছেন এক ভদ্রলোক।
গোপাল খুব ঘটা করে হাত-টাত দেখে বলে, ‘আপনি তো অতি ভাগ্যবান মশাই! হাতে স্পষ্ট দেখছি আপনার দেহাবসান হবে কাশীতে।’
পূণ্যস্থানে মৃত্যু হবে জেনে ভদ্রলোক খুব খুশি মনে ফিরে গেলেন।
কিছুদিন যেতে না যেতেই ভদ্রলোকের ছেলে এসে উপস্থিত। সে তেড়েফুঁড়ে গোপালকে জিজ্ঞেস করে, ‘আপনি গননা করে বলেছিলেন বাবার মৃত্যু হবে কাশীতে। কই, উনি তো বাড়িতেই মারা গেলেন?’
গোপাল আমতা আমতা করে বলে, ‘আমি কি তাই বলেছি নাকি? আমি বলতে চেয়েছি উনি কাশতে কাশতে মারা যাবেন। তা সেটা ঠিক বলেছি কি-না? বলুন?
মন্দিরে ঢুকতে যাবার সময় পেছন থেকে পন্ডিতের বাঁধা, ‘এ তুমি কী করছো গোপাল! মন্দিরে কুকুর নিয়ে ঢুকছো?’
‘কোথায় কুকুর?’ অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করে গোপাল।
‘এই তো তোমার পেছনে!’ একটি কুকুরের দিকে হাত তুলে দেখায় পন্ডিত।
‘এটি আমার কুকুর নয়!’
‘তোমার নয় বললেই হলো?’ রাগ দেখিয়ে বলে পন্ডিত, ‘তোমার পেছন পেছনেই তো যাচ্ছে!’
‘বটে? তা তুমিও তো আমার পেছন পেছন আসছো!
গোপালের তামাকপ্রীতি রাজা কৃষ্ণচন্দ্র মোটেই পছন্দ করতেন না। একদিন গোপালকে সঙ্গে নিয়ে পালকিতে কোথাও যাচ্ছেন, দেখেন তামাক ক্ষেতে এক গাধা চড়ে বেড়াচ্ছে। সেই গাধা ক্ষেতের আগাছা খাচ্ছে ঠিকই, কিন্তু তামাক পাতায় ভুলেও মুখ দিচ্ছে না।
সুযোগ পেয়ে রাজা বলেন, ‘দেখেছো হে গোপাল, একটা গাধাও তামাক খায় না!’
শুনে গোপাল বলে, ‘আজ্ঞে রাজা মশাই, তা যা বলেছেন। কেবল গাধারাই তামাক খায় না।
মিষ্টির দোকানের পাশ দিয়ে যাবার সময় থরে থরে সাজানো মিষ্টি দেখে গোপালের খুব লোভ হয়েছে। কিন্তু ট্যাকে নেই একটি পয়সাও।
ভেতরে গোপাল ঢুকে দেখে ময়রার ছোট ছেলেটি বসে আছে।
গোপাল শুধায়, ‘কি-রে, তোর বাপ কই?’
‘পেছনে। বিশ্রাম নিচ্ছে।’
‘তোর বাপ আমি আমি খুব বন্ধু বুঝলি? আমার নাম মাছি। ক’টা মিষ্টি খাই? তোর বাপ কিচ্ছু মনে করবে না।’ বলেই গোপাল টপাটপ মিষ্টি মুখে পুরতে শুরু করেছে।
মিষ্টি নিমিষে শেষ হয়ে যাচ্ছে দেখে ছেলে চেঁচিয়ে বলে বলে, ‘বাবা, মাছি কিন্তু সব মিষ্টি খেয়ে ফেলছে!’
শুনে পেছন থেকে ময়রা বলে, ‘আরে খেতে দে! মাছি আর কট্টুকু খাবে?
এক পন্ডিতের মাথায় তিলকের ঘটা দেখে গোপাল খুব আমোদ পেয়ে জিজ্ঞেস করেছে, ‘ওহে পন্ডিত, কপালে এতো সব কি এঁকেছো?’
পন্ডিত একগাল হেসে বলে, ‘আজ্ঞে, ফোঁটা কাটুচি!’
গোপাল উদাত্ত গলায় ফের শুধায়, ‘ফোঁটা কাটুচি, না কাগে হাগুচি?
রাজা কৃষ্ণচন্দ্র সব সভাসদদের সামনে গোপালকে জব্দ করার উদ্দেশ্যে বলছেন, ‘বুঝলে গোপাল, আমার সাথে তোমার চেহারার কিন্তু দারুণ মিল! তা বাবার শাসনামলে তোমার মা কি এদিকে আসতেন-টাসতেন নাকি?’
গদগদ হয়ে গোপাল বলে, ‘আজ্ঞে না রাজামশাই! তবে মা না এলেও বাবা কিন্তু প্রায়শই আসতেন!
গোপাল তখন ছোট। গুরুদেবের সাথে থেকে দীক্ষা নিচ্ছে।
কোনো এক একাদশীর দিন গোপাল দেখে উপবাস শেষে গুরুদেব ষোলো প্রকারের পদ দিয়ে সেই রকমের ভোজ দিচ্ছেন। গুরুদেবের খাবারের বহর দেখে গোপাল ঠিক করে ফেলে আগামীবার গুরুদেবের সাথে উপবাস দিতে হবে। উপবাসের অজুহাতে যদি ষোলো পদের ভোজ পাওয়া যায় তবে কষ্টের চেয়ে লাভই বেশি!
সেই পরিকল্পনা মতো সামনের একাদশীতে গোপালও গুরুদেবের সাথে উপবাস করে বসে রইলো। কিন্তু বেলা গড়িয়ে যায় গুরুদেব আর জলযোগে যান না! শেষ-মেষ ক্ষুধার জ্বালায় আর থাকতে না পেরে গোপাল জিজ্ঞেসই করে বসে, ‘গুরুদেব, বেলা হয়ে গেলো, জলযোগ করবেন না?’
গুরুদেব স্মিত হেসে বলেন, ‘ওরে আহাম্মক, আজ যে ভীম একাদশী… নিরম্বু উপবাস।
রাজা গোপাল ভাঁড় কে প্রশ্ন করল, গাধা আর তোমার মধ্যে ব্যবধান কতটুকু? গোপাল রাজা থেকে নিজের দুরত্ব টা মেপে তারপর জবাব দিল, বেশি না, মাত্র সাড়ে চার হাত ব্যবধান।