Overblog All blogs Top blogs Humor & Comedy
Edit post Follow this blog Administration + Create my blog
MENU

Bangla blog,Bangla Kobita & Golpo.Funny Pictures & Jokes.

Advertising

ভাষারঙ্গ



ভাষারঙ্গ
নোয়াখালীর ভাষায় একটা বাক্য
হানিতে হুল আছে, হুল দেইখ্যা হোলা হানে হানিতে হড়ি গেছে।
বুঝলেন কিছু? মনে হয় না। ওনারা ‘প’ ও ‘ফ’কে ‘হ’ বলে
হানিতে—পানিতে, হুল—ফুল, দেইখ্যা—দেখে, হোলা হানে—পোলাপান বা ছেলেপুলে, হানিতে—পানিতে, হড়ি—পড়ে। তাহলে ঘটনা দাঁড়াল—
পানিতে ফুল আছে, ফুল দেখে ছেলেপুলে পানিতে পড়ে গেছে।
শিক্ষক ও ছাত্রী
প্রথম দিন পড়াতে গিয়ে স্বভাবতই জিজ্ঞেস করলাম, ‘তোমার নাম কী?’ লাজুক হেসে মেয়েটি বলল, ‘জি, মিচ্চোনিয়া!’
ঠিক বুঝলাম না। ফের জিজ্ঞেস করলাম, ‘কী নাম বললে?’
‘মিচ চোনিয়া চার। চো-নি-য়া। চাবরিনা চিদ্দিকা চোনিয়া।’
‘ও সোনিয়া! তা সোনিয়া, তোমার দেশের বাড়ি কোথায়?’
উত্তর শুনে ঘটনা পরিষ্কার হলো। পড়াতে শুরু করলাম সোনিয়াকে।
আমি যখন খাতা দেখতাম, সে সময় সে গল্প জুড়ে দিত।
একদিন এমন মনোযোগ দিয়ে বাড়ির কাজ দেখাচ্ছি, সে গল্প শুরু করল, ‘চার, আপনি ভেন্ডের গান লাইক করেন?’
‘ভেন্ডের আবার কী? বলো ব্যান্ডের। হ্যাঁ, করি তো।’
‘চার, কোন ভেন্ড আপনার পেবারিট?’
‘নির্দিষ্ট কেউ না। সব ব্যান্ডেরই কিছু কিছু গান ভালো লাগে।’
‘চার, আমার পেবারিট চার, চোলচ। চোলচের পরেস্ট হিলে গানটা চুপার লাগে, চার, প্যানটাচটিক লাগে।’
আরেক দিনের কথা। খাতা দেখছি, কিছুটা উশখুশ করে ছাত্রী বলল, ‘চার, আপনার কোনো অ্যাপেয়ার আচে, চার?’
ওর দিকে শীতল দৃষ্টিতে এক মুহূর্ত তাকিয়ে চোখ ফিরিয়ে নিলাম খাতায়।
সে নাছোড়বান্দা, ‘বলেন না, চার, আচে?’
ধমকের সুরে বললাম, ‘হ্যাঁ, আছে!’
‘হি.হি..হি…! তা বাবির নাম কী, চার?’
রাগী দৃষ্টিতে তাকিয়ে কাটাকাটাভাবে বললাম, ‘মাধুরী দীক্ষিত।’
‘ই.হি..হি…! আপনি চার একদম চিরিয়াচ না, শুধু পান করেন। হি.হি..হি…। ওহ চার, বালা কতা, আপনাকে তো একটা কবর দিতে হবে।’
‘কী বললে? আমাকে কবর দিতে হবে? মানে কী?’
‘জি, চার, জরুরি কবর, আগামী ২০ তারিকে আমার ভোনের বিয়ে।’
‘ভোনের নয়, বলো বোনের।’
‘জি চার। চার, কাওয়াদাওয়া কিন্তু কোনো কমিন্টি চেন্টারে হবে না, চাদে হবে।’
‘কী? চাঁদে হবে?’
‘জি, চার, আমাদের চাদে। চার, আপনাকে খাট দেব?’
‘খাট! আমাকে খাট দেবে মানে?’
‘মানে চার, বিয়ের খাট।’
‘হোয়াট? বিয়ের খাট!’
‘জি, চার, দাওয়াত খাট।’
‘ও আচ্ছা! ইনভাইটেশন কার্ডের কথা বলছ তুমি?’
‘জি, চার। চার, জানেন, আমার দুলাভাই না দেখতে টিক ভোম্বের হিরুদের মতন।’
‘ভোম্বে নয়, বোম্বে। আর হিরু নয়, হিরো। তা, উনি দেখতে কোন হিরোর মতন?’
‘হিহিহি…। দেকতে? উনি দেকতে টিক ভোম্বের চালমান কান, চার।’
বগুড়ার ভাষা খুব দুর্বোধ্য নয়, তবে বিচ্ছিন্ন কিছু দুরধিগম্য শব্দসহযোগে রচিত এই বক্তব্যহীন ছড়া।
সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো.

যখন জায়গা হত না
৪০তম বিবাহবার্ষিকীতে এক মহিলার হঠাৎ মনে পড়ল বিয়ের প্রথম রাতে তার স্বামী তাকে বলেছিল সে যা খুশি করতে পারে কিন্তু শুধু যেন বিছানার নিচে রাখা কাঠের ছোট বাক্সটা না খোলে । এতদিন ধরে স্ত্রী কখনো সেটা ছুঁয়েও দেখে নি। কিন্তু ৪০ বছর এই ব্যাপারে সৎ থাকার কারণে তার কাছে মনে হল এখন নিশ্চয় সেটা খোলার অধিকার তার হয়ে আছে। ধীরে ধীরে ছোট বাক্সটি বের করে সে সেটা খুলে দেখল তার ভেতরে স্বামীর জমানো খুচরা টাকায় মোট তিন শ ডলার আর চারটা খালি বিয়ারের বোতল।
রাতে স্বামীর সঙ্গে বিবাহবার্ষিকী উপলক্ষে বিশেষ ডিনার শেষ করার পর সে তাকে জানাল বাক্স খোলার ব্যাপারটা।
‘সর্বনাশ! তুমি এটা কী করেছ?’ স্বামী কিছুটা উত্তেজিত।
‘আহা এটাতে রেগে যাবার কী আছে?’ কিন্তু চারটা খালি বোতলের অর্থ কী? স্ত্রী কৌতুহলী হয়ে প্রশ্ন করল।
… ‘ইয়ে.. মানে… আসলে বিয়ের পর আমি যতবার তোমার সাথে প্রতারণ করেছি…. মানে অন্য কোনো মেয়ের সাথ......…………ততবার আমি বাড়িতে এসে ওই বাক্সে একটা করে বোতল রাখতাম’। স্বামী-ভয়ে ভয়ে জানাল। চল্লিশ বছরে মাত্র চারবার এমনটি ঘটেছে ভেবে স্ত্রী তার স্বামীকে সান্ত্বনা দিয়ে বলল- ‘থাক এ নিয়ে আর মন খারাপ কোরোনা…’।
রাতের চমৎকার ডিনার শেষে দুজনই ঘুমাতে গেল। হঠাৎ মধ্যরাতের দিকে একটা কথা ভেবে স্ত্রীর ঘুম ছুটে গেল। সে তখনই তার স্বামীকে ঘুম থেকে ডেকে জিজ্ঞেসা করল- আচ্ছা,ওই বাক্সের টাকাগুলো কিসের?
ঘুম ঘুম চোখে স্বামী কোনোমতে পাশ ফিরে জানাল- ও কিছু না যখন বাক্সের ভেতর আর বোতল জায়গা হত না তখন সব বোতল ফেলে এক ডলার করে রাখতাম।

Advertising
Back to home page
Share this post
Repost0
To be informed of the latest articles, subscribe:
Comment on this post