Overblog Follow this blog
Edit post Administration Create my blog
March 24 2011 5 24 /03 /March /2011 16:19

অফিস ছুটির মুহুর্তে বাড়ি থেকে ফোন পেলেন ভদ্রলোক,
কখন আছস?
বাড়িতে কারেন্ট আছে ?
না
পানি আছে ?
না
তাহলে গিয়ে কি করব। দুঘন্টা পর আসি
Metal, Rap, Hiphop
তুই সারাদিন এসব কি বলিশ একটা কথাও বুঝি না
তুমি বুঝবে না। এসব ইংরেজি গান। আজকাল সারা পৃথিবীর মানুষ এই গান শোনেএই গান গায়। মেটালর‌্যাপহিপহপআরএনবি-
বুঝলাম। সারাদিন ইংরেজি গান করিশতারপর ইংরেজিতে ফেল করলি কেন ?
আমি কি করব স্যাররা কি ইংরেজি গান শোনে ! না ইংরেজি বোঝে ! 
সরিঃ
সরি
ধাক্কাডা তো ঠিকই দিলেন অহন না সইরা করবেন কি। অহনও গাও ঝনঝন করতাছে। যান সরেন
মেডিকেল কলেজঃ
আরে কেমন আছেন ক্লান্ত দেখাচ্ছে একেবারেকোথা থেকে ফিরলেন
ছেলেটাকে মেডিকেল কলেজে ভর্তি করে দিলাম
বলেন কি আমি তো ভেবেছিলাম ওই আড্ডাবাজ বাউন্ডুলে কোথাও ভর্তির সুযোগই পাবে না,একেবারে মেডিকেল কলেজে!
ভর্তি না করে কি করব বলুন। হাত পা দুইই ভেঙেছে 
নিজের কথা ঃ
কিরে তুই দুই হাতে দুই মোবাইল নিয়ে কার সাথে কথা বলছিস ?
নিজের সাথে। নিজের কথা মোবাইলে কেমন শোনা যায় তাই দেখছি
ভাল চাকরীঃ
আচ্ছা বলুন তো ভাল চাকরী মানে কি ?
যে চাকরীতে বেতন বেশিউপড়ি আয় আরো বেশিকাম করতে হয় নামামা কিংবা দুলাভাই বসসেক্রেটারী সুন্দরীফ্রি টেলিফোনফ্রি ইন্টারনেটফ্রি খাওয়াদাওয়া আরকিজানি। মনে পড়তাছে না 
মোবাইলঃ
দোস্ত এই মোবাইল ফোনডা কিনছি। এক্কেরে অরিজিন্যাল হাঙ্গেরি। মাইকের মত গান শোনা যায়। রেডিওক্যামেরাভিডিও সব রইছে। ভিসিডি দেখা যায়। লোডসেডিং এর জন্য লাইটওপাচচল্লিশ হাজার দাম
দেতো মোবাইলটা। একটা ফোন করি
আহহারে রে। নেটওয়ার্কে একটু সমস্যা। কথা পরিস্কার হয় না। আর সব ঠিক আছে
কিসের মাংশঃ
কোরিয়ায় হোটেলে মাংশ খেয়ে একজনের খুব ভাল লাগল কিন্তু সে বুঝল না সেটা কিসের মাংশএদিকে সেখানকার ভাষাও তার জানা নেই। আর কোন উপায় না দেখে একজন বেয়ারাকে ডেকে সে ছাগলের মত অভিনয় করে জিজ্ঞেস করতে চেষ্টা করলব্যা-ব্যা
বেয়ারা বুঝলে পারল তার প্রশ্ন। সে উত্তর দিলভৌভৌ 
কাঁদতে নেইঃ
বাবা  কি রে খোকাকাদছিস কেন ?
ছেলে  মা মেরেছে
বাবা  ধুর বোকা। এভাবে কাদতে নেই। মার খেলে কি কাদতে হয় আমাকে কখনো কাদতে দেখেছিস ?
১০। আছেন:
আছেনঃ
একজন নাস্তিক কিছুতেই সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব বিশ্বাস করতে রাজি না। রীতিমত বাজি ধরে ফেলল সেআমি সারা পৃথিবী ঘুরে দেখব সৃষ্টিকর্তা থাকারতার সবকিছু নিয়ন্ত্রন করার কোন নমুনা চোখে পড়ে কিনা
সে ঘুরতে শুরু করল। লন্ডননিউইয়র্কটোকিওব্যাংকক সব যায়গায় ঘুরল। একসময় ঢাকায় এসে হাজির হল। অন্য যায়গায় সে থেকেছে ১ দিন করেঢাকায় সে দিনের পর দিন কাটাতে থাকল। তার দেখা যেন শেষ হয় না। তারপর একসময় সোজা হাজির হল যার সাথে বাজি ধরেছিল তারকাছে
পরাজয় স্বীকার করে বললঠিকই সৃষ্টিকর্তা আছেন। সব যায়গায় দেখেছি মানুষ সবকিছু নিয়ন্ত্রন করেঢাকায় দেখলাম কেউ কিছু নিয়ন্ত্রন করে না। রাস্তায় গাড়ি-রিক্সা কেউ নিয়ন্ত্রন করে না,পথে ছিনতাইকারীকে কেউ নিয়ন্ত্রন করে নাঅফিসে ঘুষখোরকে কেউ নিয়ন্ত্রন করে নাব্যবসার নামে বাটপারীকে কেউ নিয়ন্ত্রন করে নাখাবারে ভেজাল দেয়া কেউ নিয়ন্ত্রন করে না। সৃষ্টিকর্তা আছেন এবং নিজেই সবকিছু নিয়ন্ত্রন করেন বলে দেশটা টিকে আছে


Share this post

Repost 0
Published by রঙের মানুষ রঙ্গীলা - in বাংলা জুক্স
write a comment

comments

রঙ্গীলার রঙের দুনিয়া

  • : রঙ্গীলার রঙের দুনিয়া
  • রঙ্গীলার রঙের দুনিয়া
  • : Bangla blog,Bangla Kobita & Golpo.Funny Pictures & Jokes.
  • Contact

Chat Box-চ্যাট বক্স

Search-অনুসন্ধান

Archives-আর্কাইভ

Page-পাতা

Category-ক্যাটাগরি